কীওয়ার্ড রিসার্চ কী, কেনো, কিভাবে করতে হয়—এই প্রশ্ন গুলি যদি মনে এসে থাকে তবে আপনি নিছক এই সময় ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা ইউটিউব এ নতুন হয়ে থাকবেন।
আর এটা স্বাভাবিক—প্রথমে কেউ কিছু জেনে আসেনা, ধীরে ধীরে জ্ঞান এর মাত্রা কে বাড়াতে হয়।
যারা ব্লগিং, ওয়েবসাইট, ইউটিউব এ নতুন তারা কীওয়ার্ড গবেষণা বা seo নিয়ে মাথা ঘামান না বা জানেনা।
আর সেইটার সুযোগ নিয়ে পুরোনো বা অভিজ্ঞ ব্লগারগুলো তাদের আর্টিকেল rank করায়।
তারা জানে যে গুগল এর ফার্স্ট পেজ এ rank করার জন্যে কীওয়ার্ড গবেষণা কতটা জরুরি।
এটা ছাড়া কোনো আর্টিকেল লেখার মানে হোল, লক্ষ হিন বান চালানো। তাই আজ আপনাদের কাছে আমি কীওয়ার্ড গবেষণা, যা অন পেজ seo এর একটা অংশ, ভাগ করছি।
যা আপনি আমার পোস্ট পড়ে সেগুলোকে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনার ফার্স্ট পেজ এ rank করানো কেউ রুখতে পারবেনা।
কীওয়ার্ড কী?
কীওয়ার্ড হোল এমন একটি শব্দ বা শব্দ গুচ্ছ যার উপর ভিত্তি করে গুগল বা যেকোনো সার্চ ইঞ্জিন আপনার আর্টিকেল টি কে rank করায় বা অনুসন্ধান কর্তা কে সঠিক তথ্য বা ডাটা পৌঁছে দেয়।
উদাহরণ স্বরূপ আপনি গুগল এ সার্চ করলেন “কিভাবে ব্লগ পোস্ট লিখতে হয়” বা আপনি লিখলেন “seo কী”
এগুলো এক একটি keyword আর একটি কীওয়ার্ড অনেকে মিলে অনুসন্ধান করছে সেটা একটা ব্লগার এর কাছে সম্পদ হয়ে উঠছে।
এক জন seo কারীর কাছে যদি আমি এর সংজ্ঞা দিতে যাই তাহলে বলতে হবে যে শব্দ বা শব্দ গুচ্ছ
আমরা গুগল,বিং বা বিভিন্ন অনুসন্ধান যন্ত্রে সার্চ করে থাকি তার প্রতিটা শব্দই কীওয়ার্ড।
আবার এটাও মাথায় রাখতে হবে যে সার্চ করার প্রতিটা শব্দই কীওয়ার্ড কিন্তু আবার পূর বাক্য টিকে keyphrase বলা হয়।
Keyword research যদি একবার শিখতে পারেন তাহলে আপনি freelancing ফিল্ড এও সহজে অগ্রসর হতে পারেন।
অত এব এই কন্টেন্ট মার্কেটিং ফিল্ড এ দক্ষ হওয়ার পুরো ডিটেইলসই আমি আপনাদের সঙ্গে ভাগ করছি।
কীওয়ার্ড রিসার্চ কী ও কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
আগের paragraph এ আমরা কী ওয়ার্ড কি সেটা বুজলাম এবার আমরা কীওয়ার্ড গবেষণা এর ব্যাপারে বিষদে জানবো।
যদি সহজ ও সংক্ষেপে বলী মূলত কীওয়ার্ড গুলি কে নিয়ে বিভিন্ন রকমের গবেষণার পদ্ধতি কে বলে key word resarch.
বিস্তৃত ভাবে বললে বলা যায় বলা যায়, ধরুন আপনি যে keyword বেছে ছেন সেটার চাহিদা কিরকম আছে,
keyword demand কে সংক্ষেপে kd বলে।বা ধরুন আপনি যে দেশের traffic চাইছেন সেই দেশের লোকজন ওয়ার্ড টা সার্চ করে কিনা।
আর কোনো ওয়েবসাইট সেই বিষয় নিয়ে কন্টেন্ট ছেড়েছে কিনা, সেই কীওয়ার্ড এর উপর সর্বোচ্চ কতো শব্দ আছে,
ও সেটার উপর আর্টিকেল ছাড়া হয়েছে কিনা ,কন্টেন্ট লিংক এর পরিমাণ কত ।
আপনার Competitor এর DA (domain authority) ও PA (page authority) কতো আছে।
বা সেই সাইট গুলোর সাথে আপনি প্রতিযোগিতা করতে পারবেন কিনা ও সেই সাইট এ কতো লোকজন আসে।
ও ওই কীওয়ার্ড এর cpc কিরকম এইসব নিয়ে গবেষণা করাকে বলা হয় কীওয়ার্ড গবেষণা ।
মনে রাখবেন এটাকে হালকা ভাবে নিলে চলবেনা রিসার্চ এর প্রতিটা পয়েন্ট খুঁটিয়ে দেখতে হবে।
কারণ আর্টিকেল কে seo friendly করার মূল অস্ত্র ই হোল কীওয়ার্ড গবেষণা।on page seo এর মূল প্রাণ বললেও ভুল হবেনা।
বেশির ভাগ মানুষই কিন্তু ইংলিশ ভাষা নিয়ে কন্টেন্ট লেখে,আপনি যদি English content বাদে অন্য কোনো ভাষা নিয়ে লেখালেখি করেন তাহলে সেই গুলো নিয়েই রিসার্চ করবেন।
ধরুন আপনি বাংলা কন্টেন্ট নিয়ে লেখেন তাহলে আপনাকে কিন্তু bengali content নিয়ে লেখেন তাহলে keyword গবেষণা ও বাংলা তেই করতে হবে।
আপনাকে ভারত বা বাংলা দেশেই আপনার টার্গেটেড keword সেট করতে হবে এবং যাবতীয় রিসার্চ টা বাঙলাতেই করতে হবে।
এবং আপনার পোস্ট tittle টি আব্যসই বাঙলাতেই করার চেষ্টা করতে হবে।যেহেতু আপনি বাংলা আর্টিকেল নিয়ে কাজ করবেন।
কীওয়ার্ড কতো প্রকার ?
কীওয়ার্ড প্রধানত তিন প্রকার।
- লং টেল কীওয়ার্ড
- শর্ট টেল কীওয়ার্ড
- মিড টেল কীওয়ার্ড
Depending on the situation কীওয়ার্ড কতো প্রকার?
- Realated keyword
- Support keyword
- Mother keyword
লং টেল কীওয়ার্ড কী?
এই Keyword সাধারণত দুই এর অধিক ওয়ার্ড হয়। যেমন “সার্চ ইঞ্জিন অ্টিমাইজেশান কী” বা “ভিজুয়াল বেসিক কী” এটি একটি লং টেল ওয়ার্ড এর উদাহরণ।
নতুন দের প্রথমে এই রকম কীওয়ার্ড গুলো নিয়ে কাজ করা উচিত, তাতে আর্টিকেল ফার্স্ট পেজ এ rank হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হয়।
যদি আপনার নতুন ওয়েবসাইট এ ট্রাফিক বাড়াতে চান তাহলে এই লং টেল কীওয়ার্ড গুলো ব্যাবহার করবেন এগুলোতে compitition সাধারনত কম হয় এবং rank ও তাড়াতাড়ি হয়।
শর্ট টেল কীওয়ার্ড কী?
Short tail keyword সাধারনত দুই এর কম শব্দ অর্থাৎ একটি শব্দ কে বলে যেমন
মোবাইল, ইয়াহু, কম্পিউটার এগুলো শর্ট কীওয়ার্ড এর উদাহরণ।
এগুলোর ওপর হাই কম্পিটিশন তাই এগুলো rank করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।
এই কীওয়ার্ড গুলো সাধারনত বড় অথরিটি বা ওয়েবসাইট গুলো rank হয়ে থাকে।
আপনিও এই কীওয়ার্ড গুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন যদি আপনার সাইট একটা ভালো পজিশন এ থেকে।
মিড টেল কীওয়ার্ড কী ?
এগুলো সাধারনত দুটি শব্দের হয়। উদাহরণ স্বরূপ বললে WhatsApp কী?, মার্কেটিং কী? আরও অনেক আছে।
এগুলো গুগল এর প্রথম পাতায় rank করানো খুব একটা কষ্টের নয়। তবে একটু দেরীতে এগুলো rank হয়।
কীওয়ার্ড কেনো ব্যাবহার করা হয়?
এই পর্যন্ত এসেছেন মানে আপনি নিশ্চই কীওয়ার্ড কেনো ব্যাবহার করা হয় সেটা হালকা বুঝতে পারছেন।
এর ব্যাবহার টা আমি সংক্ষেপে ই বলে দিচ্ছি তার সঙ্গে “সার্চ ইঞ্জিন অ্টিমাইজেশান” কী সেটাও তুলে ধরছি।
কীওয়ার্ড এর ব্যাবহার
সাধারনত এটা আর্টিকেল rank করানো এর জন্য ব্যাবহার হয়ে থাকে, সঠিক ভাবে কীওয়ার্ড প্লেসমেন্ট করাটাও দরকারি।
নাহলে যে targeted keyword বেছে নেওয়ার পর ও পিছনে থেকে যাবেন। যেমন কীওয়ার্ড placement এর একটি উদাহরণ হোল—
আপনার টার্গেট ওয়ার্ড বা main tittle কে বারবার ব্যাবহার করা যাবেনা। যাকে ইংলিশ এ বলা হয় কীওয়ার্ড রিপিট।
এটা আপনাকে সবসময় মাথায় রাখতে হবে। আপনার ব্লগ এ যদি আপনি সঠিক ভাবে কীওয়ার্ড প্লেসমেন্ট করতে না পারেন তাহলে google এটাকে ভালো চোখে দেখবেনা।
SEO কী?
এসইও কী বলার আগে আপনি জেনেনিন যে এর পূর্ণ অর্থটি কী—এর পূর্ণ অর্থটি হোল “সন্ধান যন্ত্র নিখুৎকরণ” বা search engine optimization। এই ওয়ার্ড আপনি আগেও পড়েছেন।
এর অর্থ হোল আপনার আর্টিকেল কে টকে চিহ্নিত করা, লোকজনের গুণমান ও পরিমাণ সার্চ ইঞ্জিন গুলি থেকে ওয়েব পেজ এ উন্নীত করা।
এই পদ্ধতির মাধ্যমে অনুসন্ধান যন্ত্র আপনার ওয়েব পাতা কে উন্নীত করে ও index করে।
এর সঙ্গে সঙ্গে আপনার website এর অস্তিত্ব খুঁজে পায় যার মাধ্যমে আপনার কন্টেন্ট google এর প্রথম পাতায় আসে।
আর keyword research হোল seo এর একটা মুখ্য অংশ।
এসইও দুই ধরনের হয় on page seo ও off page seo। আর কীওয়ার্ড গবেষণা হোল অন পেজ এসইও এর ই একটা মূল অংশ।
এগুলো (seo) সীমাহীন সমুদ্রের মতো তাই পুরোটা এই সময় আলোচনা করা সম্ভব নয়—নাহলে আমরা মূল বিষয় থেকে সরে যেতে পারি।
তাই অন্য কোনো আর্টিকেল এ এটা নিয়ে বিস্তারে আলোচনা করবো।
এবং আরো একটা কথা বলে রাখি আপনারা free seo করতে পারবেন যদি আমাদের ওয়েবসাইটে সঙ্গে যুক্ত থাকেন।
চাইলে এই লিংক কে ক্লিক করে পড়তে পারেন⇒click
কীওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করতে হয়
লক্ষ করুন—এবার আপনি পড়তে পড়তে এবার চলে এসেছেন এই আর্টিকেল এর মুখ্য ভাগে ও প্রায় শেষ পর্যায়।
কিন্তু ভয় নেই—আজ আপনি keyword research এর পূর অংশটাই শিখে যাবেন এটা নিশ্চিত।
তো কীওয়ার্ড গবেষণা কিভাবে করতে হয়। আমি আগেই বলে রাখি এটা keyword research খুব একটা কঠিন বিষয় নয়।
এটা আপনারা নিশ্চই সহজে পারবেন। এটা আপনার সময় ও আপনার খরচ করার অনুপাত এর উপর নির্ভশীল,
অর্থাৎ আমি বলতে চাইছি যে কীওয়ার্ড রিসার্চ tool সাধারনত দুই রকমের হয়—
- Free keyword research tool
- Paid keyword research tool
এবারে আমি যে বলেছিলাম সেটা বোঝাচ্ছি—অর্থাৎ আপনি যদি ফ্রী tool গুলি ব্যাবহার করেন তাহলে আপনার সময় বেশি যাবে।
আর যদি পয়সা খরচ করার মতো সামর্থ থাকে তাহলে সময় কম যাবে।
সাধারনত নিউ ব্লগারদের পয়সা খরচ করার মতো বা পেইড টুল ব্যাবহার করার মতো সামর্থ থাকেনা তাই আমি ফ্রী এবং পেইড দুটো টুল এর কথা ই বলবো এবং রিসার্চ কিভাবে করতে হয় তা শেখাবো।
Free keyword tool
Free এর জিনিস সবসময় খারাপ—এটা কিন্তু নয়। আমি আপনাদের ফ্রী tool গুলোর সঠিক ভাবে ব্যাবহার বলবো যাতে আপনারা নির্ভুল ভাবে সবকিছু করতে পারেন।
1. কীওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য Google keyword planner
সবথেকে প্রথমে বলে রাখি এই টুলটি খুবই কার্যকরী এবং প্রায় প্রত্যেক কীওয়ার্ড অনুসন্ধানীরা এই ফ্রী tool একবার না একবার ব্যাবহার করেছেন।
এটি সর্বাধিক জনপ্রিয়—সর্বোপরি এটা গুগল এর ই প্রোডাক্ট। আপনরা নিশ্চই খুশি হয়েছেন এটা শুনে—হ্যাঁ, এটা একদম সত্যি কথা।
গুগল নিজেই তার সার্চ সংক্রান্ত তথ্য আপনাদের জন্য share করেছে। এবার আমি এর কাজ সম্বন্ধে পূর তথ্য দিচ্ছি।
Google keyword planner
উপরের ইমেজ গুলি দেখেতে পেয়ে আপনারা নিশ্চই কিছুটা বুঝতে পেরেছেন।
এই keyword planner টিতে আপনারা যেকোনো ল্যাঙ্গুয়েজ এবং আপনার targeted country গুলো আপনি বাছাই করতে পারবেন।
এর সঙ্গে আপনারা দেখতে পাবেন avg. monthly Search আর cpc লক্ষ করতে পারবেন আরও দেখবেন।
Broaden your search—ও এখানে অসংখ্য related কীওয়ার্ড গুলি দেখতে পাবেন।
এছাড়া add filter অপশন টি তে ক্লিক করলে আপনারা নিজেরাই বেছে নিতে পারবেন—আপনারা কি ধরনের কীওয়ার্ড গুলি চান যেমন আপনি কীওয়ার্ড গুলো চান যেমন হাই কম্পিটিশন আপনারা নিজের মত করেই বাছাই করে নিতে পারবেন।
আপনারা আরও কিছু অপশন এই খানে দেখতে পাবেন যেমন this month change, yoy change, এবং কম্পিটিশন low না high সেটাও দেখতে পাবেন,
এবং আরো কিছু ফিচার হচ্ছে ad impression share, account status, high range, low range—শেষে দুটি function এ সর্বোচ্চ ও সর্ব নিম্ন ইনকাম এর তালিকা গুলি দেখতে পাবেন।
এতে অসংখ্য feature আছে। এটাই স্বাভাবিক কারণ এটা গুগল এর নিজের প্রোডাক্ট।
এই ওয়ার্ড প্ল্যানার টি ব্যাবহার এর জন্যে আপনাকে google ads এর keyword planner তে যেতে হবে—তার পর search option টি তে ক্লিক করলেই আপনার মনোমত রিসার্চ করতে সক্ষম হবেন।
এবং সবচেয়ে ভালো কথা—ইচ্ছে এটি মোবাইল blogger দের জন্যই উপকারী।
2. Keyword Everywhere
এটাও একটা গুরুত্বপূর্ন কীওয়ার্ড গবেষণা টুল। সত্যি অসাধারণ। এটি একটি Chrome extension—এটি আপনি মোবাইল ও chrome ব্রাউজার দুই জায়গায় ব্যাবহার করতে পারেন।
Keyword everywhere টুল
উপরের ইমেজ গুলি দেখে আপনারা কিছুটা ধারণা পেয়েছেন। এর সবচেয়ে যে বিষয় টি ভালো লাগে আমার সেটা হচ্ছে, এর সংক্ষেপে সব তথ্য এক সাথে দেওয়া—একটা সারসংক্ষেপ তুলে ধরা।
অর্থাৎ আপনি আপনার টার্গেটেড কীওয়ার্ড এর seo difficulty, brand query, off page difficulty এবং On page difficulty এক সাথে দেখতে পারবেন—যে এই কীওয়ার্ড টির ওপর কাজ করবেন কিনা।
এছাড়াও এই টুলটায় related keyword এর সুবিধা যাতে আপনি কিছু সম্পর্কিত কীওয়ার্ডগুলো খুঁজে পাবেন।
আরও আপনি ওখানে দেখতে পাবেন people also search for বা বাংলায় লোকজনের যা অনুসন্ধান করে। এই গুলো থেকে আপনি একটা পোক্ত ধারণা পাবেন।
আরও আপনি দুটি যে সুবিধা পাবেন, সেগুলো হলো trending keyword—অর্থাৎ ওই শব্দ এর উপর বর্তমানে কোন কীওয়ার্ড টি মানুষ বেশি অনুসন্ধান করছেন, এবং এখন এ আপনি খুঁজে পাবেন Long tail keyword গুলি। তার সঙ্গে আপনি এই suggestion গুলো কপি করে নিতে পারবেন। এটা সত্যি একটা অসাধারন magic tool—এই keyword everywhere extension টা।
3. Keyword surfer
দুটো দারুন টুল এর ব্যাপারে জানার পরে এবারে আমরা জানবো তৃতীয় টুলস এর ব্যাপারে। এই গুলি প্রত্যেকটাই এক এক টা অসাধারন tool বললে ও চলে।
এবং আমি আপনাদের যেগুলো recommend করেছি প্রত্যেক টাই ফ্রী keyword research tool। আর আপনারা যদি এই রিসার্চ গুলি মোবাইল এ করতে চান তাহলে আপনাদের জন্য শেষে একটা দারুন উপহার রয়েছে। যাই হোক এই কীওয়ার্ড সার্ফার হলো একটি chrome extension যেটাতে আপনি রিসার্চ করতে পারবেন, এর সুবিধা গুলি হোল—
Keyword surfer টুল
Keyword surfer এ আপনি কোন দেশের কতো search volume বা কতো অনুসন্ধান সেগুলো দেখতে পাবেন।
আর এখানে আপনি EXTRA বা similar keyword গুলি খুঁজে পাবেন—তার সাথে মোট কত cpc তাও ধারণা করতে পারবেন।
সবচেয়ে যেটা অসাধারন জিনিস সেটা হচ্ছে আপনার competitor বা প্রতিযোগী সেই কীওয়ার্ড টা র উপর কতো ওয়ার্ড এর content লিখেছে টা দেখতে পাবেন।
ও তার সঙ্গে কতো ব্যাক লিংক আছে সেই পোস্ট টির ওপর—আরও দেখতে পাবেন যে আপনার competitor এর ব্লগ টিকে কতজন সার্চ করেছে। সব মিলিয়ে এটি একটি unique research যন্ত্র।
4. Whats my serp
এটাও খুব লোকপ্রিয় কিন্তু এটাতে আপনি কিছু সীমাবদ্ধ সুবিধা গুলি পাবেন—সেগুলো হলো related keyword, people also search for—এই দুটো সুবিধার সঙ্গে আপনি দেখতে পাবেন কোন দেশের search volume বা কতো অনুসন্ধান পরিমাণ ও ওই দেশের cpc বা ক্লিক এর কস্ট দেখতে পাবেন। এটা কিছুটা keyword everywhere এর মত কাজ করে।
5. Moz Bar
Mozbar নামটি আপনি নিশ্চই অনেকবার শুনেছেন। একটা স্বাভাবিক কারণ—এই কীওয়ার্ড প্ল্যানার খুবই লোকপ্রিয়।
জানিয়ে রাখি এটি একটি chrome extension আর অবশ্যই বিনামূল্যে ব্যাবহার করতে পাবেন। এর কাজ গুলি হোল—
মজ বার টুলটি থেকে আপনি আপনার প্রতি যোগীর DA(domain authority) ও PA(Page authority) দেখতে পারবেন ও বুঝতে পারবেন এই কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করা উচিত কিনা।
এর আরো কিছু সুবিধা হচ্ছে—এখান থেকে link analytics করা যাবে যার মাধ্যমে আপনি প্রতিযোগীদের লিংক এর পরিমান বুঝতে পারবেন ওই আর্টিকেল এর উপর।
Moz bar- analytics-spam score। কীওয়ার্ড রিসার্চ
আরও আপনি এই এক্সটেনসন টির দ্বারা কোনো ওয়েবসাইট এর spam score দেখতে পাবেন ও ওই সাইট বা পাতার আর্টিকেল টিকে কিভাবে সাজানো হয়েছে।
ও কোন খানে আর্টিকেল এর কোন হেডিং ব্যাবহার আছে—ও দেখবেন ওই ওয়েব পেজ এর tittle, meta description, meta keyword, ও বুঝতে পারবেন কোন ওয়ার্ড টি bold, italic বা strong আছে।
Moz bar page details image। রিসার্চ
এছাড়াও আরো কিছু খুব গুরুত্ব পূর্ণ ডিটেইলস এখান থেকে দেখতে পাবেন যেমন general Attribute, link Metric, mark up ও Http status প্রভিতি।
সব মিলিয়ে এই রিসার্চ প্ল্যানার টা ফ্রি তে পাওয়া গেলে ও প্রিমিয়াম এর মত সুবিধা পাও যায়। তবে এর কিছু প্রিমিয়াম plan ও আছে যেগুলি আপনি চাইলে নিতে পারেন।
6. ম্যানুয়ালি রিসার্চ বা google auto suggest
google auto suggest কোনো টুল নয় কিন্তু আপনি টুল এর মত ই ব্যাবহার করতে পারবেন। এটি গবেষণার পদ্ধতি টি হলো—
আপনি যখন google এ কিছু সার্চ করেন তখন সেই সার্চ করতে করতে কিছু auto suggestion বা সম্পর্কিত কিছু শব্দ চলে আসে।
আর যেটা সার্চ করেছেন সেই পেজ টির সেই পাতার নিচে ঠিক দেখতে পাবেন লোকজনেরা যা অনুসন্ধান করেছে—এই সাজেশন গুলি দেখে আপনি একটা ধারণা করে নিতে পারবেন।
আর সঙ্গে আপনি এটাও লক্ষ্য করবেন যে সার্চ এর পরিমান টা। এই suggestion গুলি সাধারণত লং টেল কীওয়ার্ড হয়।
আর আপনি এতক্ষণে নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন যে নতুন ব্লগারদের জন্য এই কীওয়ার্ড গুলি কতটা জরুরি।
Paid keyword tool
আপনাদের এতক্ষণ যেই টুল গুলির কথা বললাম—তার পর আপনাদের পেইড টুল ব্যাবহার করার মন চাইবে না, আর এটা স্বাভাবিক।
কারণ আমি যে ফ্রি কীওয়ার্ড প্ল্যানারগুলির কথা বলেছি প্রত্যেকটি কার্যকরী—but যদি আপনার পাশে পয়সা থাকে এবং সময় কম থাকে তবে আপনি নিশ্চই পেইড টুল ব্যাবহার করতে পারবেন।
আমি নিচে কিছু জনপ্রিয় KEYword সাইট এর নাম উল্লেখ করে দিচ্ছি। আশাকরি কীওয়ার্ড রিসার্চ এর পক্রিয়া টি সহজ হয়ে উঠছে।
- Semrush
- Ahrefs Keywords Explorer
- Ubersuggest (free + paid)
এই প্ল্যানার গুলি ইউজার ইন্টারফেস কিন্তু খুব স্বাভাবিক এবং সহজেই আপনি এগুলো ব্যাবহার করতে পারবেন কিন্তু একটু সাবধান—কিছু কিছু fraud ওয়েবসাইটও থাকে সেগুলো থেকে আপনাকে দূরে থাকতে হবে। তার জন্য আমি যেগুলোর কথা বলছি সেগুলো ব্যাবহার করতে পারেন—যেগুলি প্রায় সবাই ব্যাবহার করেন ও বিশ্বাস করে।
সঠিক কীওয়ার্ড নির্বাচন
এতক্ষণ আপনাদের সব ফ্রী এবং পেইড টুল এর কথা জানালাম আমরা। কিন্তু এখন প্রশ্ন টা হচ্ছে কোন কীওয়ার্ড গুলি নির্বাচন করবো।
ভয় পাওয়ার দরকার নেই—আমি সেটাও বলে দিচ্ছি সহজে। কিছু গুরুত্ব পূর্ণ criteria গুলি যদি মেলে।
প্রথম—DA, PA: হ্যাঁ আপনি যে keyword নির্বাচন করবেন সেই কীওয়ার্ড এর ওপর rank ওয়েবসাইট এর da, pa কম থাকতে হবে।
দ্বিতীয়ত—সেটাতে ইউটিউব বা quora এর কন্টেন্ট আসছে কিনা দেখতে হবে; যদি আসে তাহলে ঐ কীওয়ার্ড এর ওপর আর্টিকেল কম লেখা হয়েছে।
তৃতীয়ত—Word count অর্থাৎ আপনার competitor এর আর্টিকেল length লক্ষ্য করতে হবে; যদি ওয়ার্ড কম থাকে তবে সুবিধা।
চতুর্থ—কতো ব্যাক লিংক তৈরী করেছে আপনার প্রতিযোগী তা লক্ষ্য করতে হবে। ও top 10 result এর আর্টিকেল গুলি খুঁটিয়ে দেখতে হবে।
এবং দেখতে হবে ওই ওয়েবসাইট গুলোর স্প্যাম স্কোর আছে কিনা ও ওই সাইট গুলির পোস্ট পারফরম্যান্স কিরকম—এসব।
আশাকরি এই গুলো খুঁটিয়ে দেখে যদি কিছু পয়েন্ট সন্তোষজনক মনে হয় তবে আপনি নিশ্চই সেই কীওয়ার্ড গুলোর ওপর কাজ করতে পারেন। এবং গুগল এর first page rank করতে পারবেন।
সারমর্ম ও শেষকথা
আমরা আজ যা যা শিখলাম সেগুলো হলো—কীওয়ার্ড, কী, কেনো এতো গুরুত্ব পূর্ণ, কত প্রকার, কেনো ব্যাবহার করা হয়, রিসার্চ করতে হয়, কীওয়ার্ড কি কীওয়ার্ড রিসার্চ, সঠিক কীওয়ার্ড নির্বাচন, ফ্রী টুলস, পেইড টুলস এবং আরও অনেক কিছু।
শেষকথা—এই আর্টিকেলটা যদি আপনি পুরোটা পড়ে থাকেন তাহলে বুঝতে পারবেন এটি একটি কোর্স এর থেকে কম নয়।
আর কীওয়ার্ড কি, কীওয়ার্ড রিসার্চ—এগুলো আমরা সবটাই জানলাম। আশাকরি আমার অভিজ্ঞতার পূর্ণ টা আপনাদের দিতে পেরেছি; যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে অবশ্যই জানাবেন।
আর শেষে যে গুরুত্ব পূর্ণ কথাটি বলব বলেছিলাম—সেটি হলো আপনি যদি ঐ ফ্রী টুল গুলি মোবাইল এ ব্যাবহার করতে চান, তাহলে আপনাদের মোবাইল এ Yandex browser ইনস্টল করতে হবে, এতে সহজেই এই কীওয়ার্ড প্ল্যানার এক্সটেনশন গুলি চলবে।
যাই হোক পোস্ট টি যদি কার্যকরী হয় তাহলে শেয়ার করবেন,
আমাদের ব্লগ এ আরও কিছু গুরুত্ব পূর্ণ কন্টেন্ট আছে যা আপনি পড়তে পারেন। আশাকরি আর্টিকেল টা আপনাদের ভালো লেগেছে; যদি কোনো ভুল থাকে বা প্রশ্ন থাকে অবশ্যই একটা কমেন্ট করবেন—কারণ আপনার এই একটা কমেন্ট আমাদের কাছে খুব দামী, মন থেকে বলছি।
Community Feedback